কুরআনের অনুচ্ছেদ

সকাল ও সন্ধ্যার কুরআনের আয়াত

আয়াতুল কুরসি2:255

2:255

ٱللَّهُ لَآ إِلَٰهَ إِلَّا هُوَ ٱلْحَىُّ ٱلْقَيُّومُ ۚ لَا تَأْخُذُهُۥ سِنَةٌۭ وَلَا نَوْمٌۭ ۚ لَّهُۥ مَا فِى ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَمَا فِى ٱلْأَرْضِ ۗ مَن ذَا ٱلَّذِى يَشْفَعُ عِندَهُۥٓ إِلَّا بِإِذْنِهِۦ ۚ يَعْلَمُ مَا بَيْنَ أَيْدِيهِمْ وَمَا خَلْفَهُمْ ۖ وَلَا يُحِيطُونَ بِشَىْءٍۢ مِّنْ عِلْمِهِۦٓ إِلَّا بِمَا شَآءَ ۚ وَسِعَ كُرْسِيُّهُ ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضَ ۖ وَلَا يَـُٔودُهُۥ حِفْظُهُمَا ۚ وَهُوَ ٱلْعَلِىُّ ٱلْعَظِيمُ

আল্লাহ ছাড়া অন্য কোন উপাস্য নেই, তিনি জীবিত, সবকিছুর ধারক। তাঁকে তন্দ্রাও স্পর্শ করতে পারে না এবং নিদ্রাও নয়। আসমান ও যমীনে যা কিছু রয়েছে, সবই তাঁর। কে আছ এমন, যে সুপারিশ করবে তাঁর কাছে তাঁর অনুমতি ছাড়া? দৃষ্টির সামনে কিংবা পিছনে যা কিছু রয়েছে সে সবই তিনি জানেন। তাঁর জ্ঞানসীমা থেকে তারা কোন কিছুকেই পরিবেষ্টিত করতে পারে না, কিন্তু যতটুকু তিনি ইচ্ছা করেন। তাঁর সিংহাসন সমস্ত আসমান ও যমীনকে পরিবেষ্টিত করে আছে। আর সেগুলোকে ধারণ করা তাঁর পক্ষে কঠিন নয়। তিনিই সর্বোচ্চ এবং সর্বাপেক্ষা মহান।

সূরা আল-হাশরের শেষ আয়াত59:22–24

59:22

هُوَ ٱللَّهُ ٱلَّذِى لَآ إِلَٰهَ إِلَّا هُوَ ۖ عَٰلِمُ ٱلْغَيْبِ وَٱلشَّهَٰدَةِ ۖ هُوَ ٱلرَّحْمَٰنُ ٱلرَّحِيمُ

তিনিই আল্লাহ তা’আলা, তিনি ব্যতীত কোন উপাস্য নেই; তিনি দৃশ্য ও অদৃশ্যকে জানেন তিনি পরম দয়ালু, অসীম দাতা।

59:23

هُوَ ٱللَّهُ ٱلَّذِى لَآ إِلَٰهَ إِلَّا هُوَ ٱلْمَلِكُ ٱلْقُدُّوسُ ٱلسَّلَٰمُ ٱلْمُؤْمِنُ ٱلْمُهَيْمِنُ ٱلْعَزِيزُ ٱلْجَبَّارُ ٱلْمُتَكَبِّرُ ۚ سُبْحَٰنَ ٱللَّهِ عَمَّا يُشْرِكُونَ

তিনিই আল্লাহ তিনি ব্যতিত কোন উপাস্য নেই। তিনিই একমাত্র মালিক, পবিত্র, শান্তি ও নিরাপত্তাদাতা, আশ্রয়দাতা, পরাক্রান্ত, প্রতাপান্বিত, মাহাত্ন?486;ীল। তারা যাকে অংশীদার করে আল্লাহ তা’ আলা তা থেকে পবিত্র।

59:24

هُوَ ٱللَّهُ ٱلْخَٰلِقُ ٱلْبَارِئُ ٱلْمُصَوِّرُ ۖ لَهُ ٱلْأَسْمَآءُ ٱلْحُسْنَىٰ ۚ يُسَبِّحُ لَهُۥ مَا فِى ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضِ ۖ وَهُوَ ٱلْعَزِيزُ ٱلْحَكِيمُ

তিনিই আল্লাহ তা’আলা, স্রষ্টা, উদ্ভাবক, রূপদাতা, উত্তম নাম সমূহ তাঁরই। নভোমন্ডলে ও ভূমন্ডলে যা কিছু আছে, সবই তাঁর পবিত্রতা ঘোষণা করে। তিনি পরাক্রান্ত প্রজ্ঞাময়।

আল-ইখলাস112:1–4

112:1

قُلْ هُوَ ٱللَّهُ أَحَدٌ

বলুন, তিনি আল্লাহ, এক,

112:2

ٱللَّهُ ٱلصَّمَدُ

আল্লাহ অমুখাপেক্ষী,

112:3

لَمْ يَلِدْ وَلَمْ يُولَدْ

তিনি কাউকে জন্ম দেননি এবং কেউ তাকে জন্ম দেয়নি

112:4

وَلَمْ يَكُن لَّهُۥ كُفُوًا أَحَدٌۢ

এবং তার সমতুল্য কেউ নেই।

আল-ফালাক113:1–5

113:1

قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ ٱلْفَلَقِ

বলুন, আমি আশ্রয় গ্রহণ করছি প্রভাতের পালনকর্তার,

113:2

مِن شَرِّ مَا خَلَقَ

তিনি যা সৃষ্টি করেছেন, তার অনিষ্ট থেকে,

113:3

وَمِن شَرِّ غَاسِقٍ إِذَا وَقَبَ

অন্ধকার রাত্রির অনিষ্ট থেকে, যখন তা সমাগত হয়,

113:4

وَمِن شَرِّ ٱلنَّفَّٰثَٰتِ فِى ٱلْعُقَدِ

গ্রন্থিতে ফুঁৎকার দিয়ে জাদুকারিনীদের অনিষ্ট থেকে

113:5

وَمِن شَرِّ حَاسِدٍ إِذَا حَسَدَ

এবং হিংসুকের অনিষ্ট থেকে যখন সে হিংসা করে।

আন-নাস114:1–6

114:1

قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ ٱلنَّاسِ

বলুন, আমি আশ্রয় গ্রহণ করিতেছি মানুষের পালনকর্তার,

114:2

مَلِكِ ٱلنَّاسِ

মানুষের অধিপতির,

114:3

إِلَٰهِ ٱلنَّاسِ

মানুষের মা’বুদের

114:4

مِن شَرِّ ٱلْوَسْوَاسِ ٱلْخَنَّاسِ

তার অনিষ্ট থেকে, যে কুমন্ত্রণা দেয় ও আত্নগোপন করে,

114:5

ٱلَّذِى يُوَسْوِسُ فِى صُدُورِ ٱلنَّاسِ

যে কুমন্ত্রণা দেয় মানুষের অন্তরে

114:6

مِنَ ٱلْجِنَّةِ وَٱلنَّاسِ

জ্বিনের মধ্য থেকে অথবা মানুষের মধ্য থেকে।

এই পৃষ্ঠায় সকাল ও সন্ধ্যার তিলাওয়াতের কুরআনের অংশ হলো আয়াতুল কুরসি, সূরা আল-হাশরের শেষ তিনটি আয়াত ও তিন কুল। সকাল ও সন্ধ্যার বিস্তৃত আযকারে এমন দোয়াও আছে, যেগুলো কুরআনের আয়াত নয়। এই পৃষ্ঠায় শুধু কুরআন, ক্রমানুসারে বাজানো হয়।

আরবি ও অনুবাদ, আপনার নির্বাচিত ক্বারীর কণ্ঠে ক্রমানুসারে বাজানো হয়।

সাধারণ প্রশ্নাবলী

সকাল ও সন্ধ্যায় কুরআনের কোন আয়াত পড়া হয়?
আয়াতুল কুরসি (2:255), সূরা আল-হাশরের শেষ তিনটি আয়াত (59:22–24), এবং সূরা আল-ইখলাস, আল-ফালাক ও আন-নাস। সকাল ও সন্ধ্যার স্মরণের অন্য কথাগুলো কুরআনের বাইরের দোয়া।
এটা কি সকাল ও সন্ধ্যার পূর্ণ আযকার?
না। এটি কুরআনের অংশ: আয়াতুল কুরসি, সূরা আল-হাশরের সমাপ্তি ও তিন কুল। পূর্ণ আযকারে আরও অনেক দোয়া আছে, যেগুলো কুরআনের আয়াত নয়।